আন্তর্জাতিকআলোচিত

জিম্মি মার্কিন মা-মেয়েকে মুক্তি দিলো হামাস

গাজীপুর কণ্ঠ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সরায়েল থেকে জিম্মি করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক মা-মেয়েকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন ও গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস। মা ও মেয়ে বেড়াতে গিয়ে যুদ্ধ অবস্থায় পড়েন ও জিম্মি দশার শিকার হন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় জিম্মি অবস্থায় থাকা মার্কিন ওই দুই নাগরিককে মুক্তি দেয় হামাস। তারা হলেন জুডিথ রানান (৫৯) এবং তার মেয়ে নাতালি রানান (১৮)।

খবরে বলা হয়েছে, মুক্তির পর দুই মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। হোয়াইট হাউজ জানায়, প্রেসিডেন্ট বাইডেন দুই নাগরিককে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

মুক্তি পাওয়ার পর শুক্রবার ইসরায়েলে পৌঁছেছেন জুডিথ রানান ও তার মেয়ে নাতালি রানান। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হামাসের মুখপাত্র আবু ওবাইদা বলেছেন, কাতারের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার পর মানবিক কারণে দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে দুই জিম্মির মুক্তি নিশ্চিতে কাতার এবং ইসরায়েলের যৌথ প্রচেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে অনেক দিনের লাগাতার যোগাযোগের পর এই দুই জিম্মির মুক্তি মিলেছে। সব দেশের সব বেসামরিক জিম্মির মুক্তিতে আলোচনা মুখ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তিতে রেডক্রসও তাদের ভূমিকার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে রেডক্রস জানায়, জিম্মিদের গাজা থেকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তাদের মুক্তি সহজতর করতে সাহায্য করেছে তারা।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এরপর ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪,৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন হাজার মানুষ। অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে হামলা করছে ইসরায়েল। হাসপাতাল, স্কুল এবং আশ্রয়কেন্দ্রও হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

অপরদিকে হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া হামাসের হাতে আটক রয়েছে দুই শতাধিক মানুষকে ইসরায়েল থেকে জিম্মি করেছে। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছে।

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button