আন্তর্জাতিক

সিরিয়ায় ‘নিরাপদ অঞ্চল’ গঠন করবেই আঙ্কারা: এরদোগানের প্রত্যয়

গাজীপুর কণ্ঠ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান তার দেশের দক্ষিণ সীমান্ত রক্ষা করার লক্ষ্যে সিরিয়ার উত্তরে একটি ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় জানিয়েছেন। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে কয়েকদিন ধরে ব্যাপকভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ বিমান হামলা চালানোর পর শুক্রবার এক ভাষণে এ ঘোষণা দেন তিনি।

এরদোগান শুক্রবার নারীর প্রতি সহিংসতামুক্ত দিবস উপলক্ষে এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, “সীমান্তের ওপারে একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলে আমাদের লাখ লাখ নারী ও শিশুর অধিকারও রক্ষা করা সম্ভব হবে। আমরা শিগগিরই পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত এই নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার কাজ শেষ করতে যাচ্ছি।”

তুরস্ক বহুদিন ধরে সিরিয়ার অভ্যন্তরে ৩০ কিলোমিটার গভীর নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দিয়ে আসছে। এ লক্ষ্য পূরণের জন্য গত কয়েকদিন ধরে সিরিয়ায় বড় ধরনের সামরিক স্থল অভিযান চালানোর কথা বলে আসছে আঙ্কারা।

এর আগে গত মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট এরদোগান এক বক্তব্যে বলেন, সিরিয়ায় অচিরেই চতুর্থ অবৈধ স্থল অভিযান চালাতে যাচ্ছে তার দেশ। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা গত কয়েক দিন ধরে আমাদের যুদ্ধবিমান, কামান ও ড্রোন দিয়ে সন্ত্রাসীদের ওপর আঘাত হেনে যাচ্ছি।” সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থানরত কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে তুর্কি সেনাবাহিনী গত কয়েকদিন ধরে যে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে তার প্রতি ইঙ্গিত করে এরদোগান একথা বলেন।

২০১৬ সাল থেকে তুর্কি সেনাবাহিনী সিরিয়ার অভ্যন্তরে কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে তিনটি অবৈধ অভিযান চালিয়েছে। মূলত পিপলস প্রোটেকশন ইউনিট বা ওয়াইপিজি’র গেরিলাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর অজুহাতে সিরিয়ায় আগ্রাসন চালায় তুর্কি বাহিনী। আঙ্কারা দাবি করছে, গত কয়েক দশক ধরে কুর্দিদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে সশস্ত্র লড়াইরত কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী পিকেকের সঙ্গে ওয়াইপিজি’র সম্পর্ক রয়েছে।

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button