গাজীপুর

কাপাসিয়ায় ঘর থেকে তুলে নিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ: অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কাপাসিয়ায় ঘর তুলে নিয়ে ৭ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে(১৩) ধর্ষণের অভিযোগে অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। 

রোববার (১৫আগষ্ট) অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই ছাত্রীর বাবা।

এর আগে শনিবার (১৪ আগষ্ট) রাতে উপজেলার নয়াসাঙ্গুন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাপাসিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাবা ৮/১০মাস আগে লেবানন থেকে দেশে এসে ব্যবসা শুরু করেন এবং ছাত্রীর মা বর্তমানে লেবানন প্রবাসী। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মাদ্রাসা ছাত্রী তার দাদীর সাথে টিনের বেড়া ঘেরা একই বিছানায় ঘুমান ও তিনি তার দোকানে ঘুমান। পরে দিবাগত মধ্যে রাত দুইটা থেকে আড়াইটার মধ্যে অজ্ঞাত নামা তিনজন লোক কৌশলে টিনের ঘরের দরজার শেকল খুলে ঘরে ঢুকে ছাত্রীর দাদীকে মুখ ও পা বেঁধে ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশী নয়ন, জামাল ও ছাত্রীর দাদী ঘুমন্ত অবস্থায় দোকান থেকে ছাত্রীর বাবাকে ডেকে তুলে ঘটনার বিস্তারিত বলেন। পরে তারা ছাত্রীকে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাড়ির পাশে মসজিদ থেকে ছাত্রীকে আসতে দেখতে পান। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায়, অজ্ঞাতনামা তিনজন লোক (অজ্ঞাতনামা তিনজনের মধ্যে একজন লুঙ্গি, শার্ট পরিহিত ও অপর দুই জন খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত ছিল) ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। রাত তিনটার দিকে নয়াসাঙ্গুন পূর্বপাড়া হতে ঘোষেরকান্দি সড়কের রফিকুল মেম্বারের পানের খেতের পাশে কাঁচা রাস্তার উপর শার্ট লুঙ্গি পরা ব্যক্তি অপর দুই লুঙ্গি পরা ব্যক্তিদের সহায়তায় তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এজাহারে আরো উল্লেখ আছে, প্রতিবেশী মৃত কাদির মাষ্টারের ছেলে মোক্তার হোসেন (৫০) এর সাথে দীর্ঘদিনের পূর্বশত্রুতা রয়েছে ওই ছাত্রীদের সঙ্গে। তাদের ধারণা তিনি এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাপাসিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করা করেছেন {মামলা নাম্বার ৯(৮)২১}। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ছাত্রীকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button