গাজীপুরসিটি কর্পোরেশন

প্রকৌশলী দেলোয়ার হত্যা: পরিবারের দাবি, সেলিমের পেছনে রাঘববোয়ালরা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-৭, কোনাবাড়ী এলাকা) দেলোয়ার হোসেন হত্যা মিশনে অংশ নেওয়া তিনজন এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তাদের বর্ণনায় উঠে এসেছে হত্যা মিশনের আদ্যোপান্ত। তবে কেন বা কী কারণে প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনকে খুন করা হলো, তার কারণ এখনও অজানা। হত্যার মোটিভ অনুসন্ধান করছে পুলিশ। অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটির তদন্ত পিবিআইর কাছে স্থানান্তরে আবেদন করা হয়েছে।

গত ১১ মে মিরপুর ২ নম্বরের বাসা থেকে গাজীপুরে অফিসে যাওয়ার পথে খুন হন দেলোয়ার হোসেন। ওই দিন সন্ধ্যায় উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের তুরাগ এলাকার নির্জন একটি প্লটের ঝোপ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করলেও ওই রাতেই স্বজনরা লাশ শনাক্ত করেন। এরপর হত্যা মিশনে অংশ নেওয়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান সেলিম, ভাড়াটে খুনি শাহিন হাওলাদার ও গাড়িচালক হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তবে নিহতের স্বজন ও অন্য শুভানুধ্যায়ীরা বলছেন, সেলিমকে কেউ ব্যবহার করতে পারেন। মূল পরিকল্পনাকারীরা এখনও আড়ালে। এর পেছনে যারা আছে, তারা রাঘববোয়াল। দেলোয়ারের আওতাধীন এলাকায় কোটি কোটি টাকার কাজ চলছিল। সামনে আরও কাজের টেন্ডার হওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ওই এলাকার রাস্তা প্রশস্তকরণ ও অবৈধ স্থাপনা

উচ্ছেদ নিয়েও কাউন্সিলরসহ অনেকের সঙ্গে দেলোয়ারের বিরোধ দেখা দিয়েছিল। এ কারণে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তারাই সহকর্মী সেলিমকে ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। আর সেলিম দুর্নীতিবাজ একজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। কাফরুলে তার নির্মাণাধীন ছয়তলা বাড়ি, ঢাকায় দুটি প্লট, দুই হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ থাকার তথ্য মিলেছে। অবৈধ তদবিরের কারণে দেলোয়ারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল না। ঘটনার আগের দিনও সেলিমকে বকাঝকা করেন দেলোয়ার।

গ্রেপ্তারকৃতদের জবানবন্দির তথ্য থেকে জানা যায়, মিরপুরের বাউনিয়াবাদের লালমাটি এলাকার ষাটোর্ধ্ব লেদু মিয়ার দোকান থেকে চলতি বছরের ১০ মে রশি কেনেন সেলিম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পূর্বপরিচিত শাহিন। প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনকে হত্যা মিশনের জন্য শাহিনকেই ২৫ হাজার টাকায় ভাড়া করেন সেলিম। আর যে হাইস গাড়িতে তাকে হত্যা করা হয়, সেই গাড়ির চালক হাবিবকে ভাড়া করেন ৫০ হাজার টাকায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার তিন দিন আগে ওই গাড়ি ভাড়া করা হয়।

যেভাবে হত্যা পরিকল্পনা : মামলাটির তদন্ত করছে তুরাগ থানা পুলিশ। তদন্তে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে তিনজনের সংশ্নিষ্টতা পাওয়া গেছে। তবে হত্যার মোটিভ এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিয়ে চলছে অনুসন্ধান। অন্য একটি গোয়েন্দা সংস্থাও দেলোয়ার হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে আরও কিছু মোটিভ নিয়ে তদন্ত করছে।

জানা যায়, অনেক দিন ধরেই সহকারী প্রকৌশলী সেলিমের বাসায় টুকটাক কাজ করে দিয়ে আসছিলেন শাহিন হাওলাদার। তার একটি খালি প্লট দেখভাল করতেন তিনি। মাঝেমধ্যে রিকশাও চালাতেন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হওয়া শাহিন। পূর্বসম্পর্কের কারণেই শাহিনকে হত্যা মিশনে নেয় সেলিম। হত্যার তিন দিন আগে হাইস চালক হাবিবের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকায় চুক্তি হয় সেলিমের। হাবিব মূলত মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের সামনে লাশের গাড়ির চালান। হাসান নামের এক হাইস গাড়ির মালিককে ফোন করে হাবিব বলেন, তার গাড়িটি ভাড়া নিতে চান তিনি। এর বিনিময়ে পাঁচ হাজার টাকা দেবেন। মালিক রাজি হওয়ার পর ওই গাড়ি ব্যবহার করা হয় হত্যা মিশনে। তবে হাবিব নিজে প্রথমে কিলিং মিশনে যেতে রাজি হননি। ফোন করে তার পরিচিত এক চালককে তিনি পাঠাতে চান। তবে শেষ পর্যন্ত ওই চালক যেতে রাজি না হওয়ায় হাবিবই গাড়ি নিয়ে যান।

ডেকে আনার কৌশল : করোনার আগে প্রকৌশলী দেলোয়ার অফিসের গাড়িতেই গাজীপুরে যাতায়াত করতেন। তবে করোনার সময় অফিসের গাড়ির সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ঠিকাদারদের কাছ থেকে নেওয়া গাড়িতে প্রায়ই অফিসে যেতেন দেলোয়ার ও সেলিম। সেলিমকে পছন্দ না করলেও দু’জনের বাসা মিরপুর হওয়ায় তারা প্রায় দিনই একই গাড়িতে যাতায়াত করতেন। যে ঠিকাদারের দেওয়া গাড়িতে তারা গাজীপুরে যেতেন, ওই ঠিকাদারকে ফোন করে সেলিম জানান, ১১ মে গাড়ি মিরপুরে আসার দরকার নেই। অন্য গাড়িতে তারা যাবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সকালে মিরপুর ২ নম্বরে দেলোয়ারের বাসার দুইশ’ গজ দূরে হাইস গাড়ি নিয়ে অবস্থান করেন সেলিম। কাউকে কল দেওয়ার কথা বলে প্রথমে একজন রিকশাচালকের কাছে ফোন চান। ওই রিকশাচালক ফোন দিতে রাজি হননি। এরপর রফিকুল ইসলাম নামের আরেক রিকশাচালকের কাছে ফোন চেয়ে নেন। একটি কল করার বিনিময়ে তাকে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এতে রাজি হওয়ার পর ওই রিকশাচালকের ফোন থেকে প্রকৌশলী দেলোয়ারকে ফোন করা হয়। গাড়ির ভেতরে বসে এপাশ থেকে কথা বলেন ভাড়াটে কিলার শাহিন। তিনি জানান, তাকে নেওয়ার জন্য ওই গাড়ি পাঠানো হয়েছে। বাসা থেকে নামার পর দেখেন, গাড়িতে পিপিই পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন সেলিমও। সিসিটিভির ফুটেজেও দেখা গেছে, হাইস মাইক্রোবাসে ঘটনার দিন সকালে উঠছেন দেলোয়ার। রফিকুল নামে ওই রিকশাচালক সাক্ষী হিসেবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, তার মোবাইল থেকে অপরিচিত এক লোককে ফোন করানো হয়। তিনি জানতেন না- এর পেছনে হত্যার মতো কোনো পরিকল্পনা রয়েছে।

যেভাবে হত্যা : শাহিন দাবি করেছিলেন, মাইক্রোবাসটি রূপনগর বেড়িবাঁধে ওঠার পর প্রকৌশলী সেলিম তাকে ইশারা দেন- প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনের গলা চেপে ধরতে। এর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি গলায় রশি পেঁচিয়ে টান দেন। তখন প্রকৌশলী সেলিমও দেলোয়ারকে চেপে ধরেন। দেহ নিস্তেজ হয়ে গেলে নির্জন প্লটের রাস্তার পাশে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। ফোনটি ফেলে দেওয়া হয় লেকে। গলা চেপে ধরার সময় দেলোয়ার শুধু বলছিলেন, ‘এটা কী করছ সেলিম?’ কিলিং মিশন শেষে চালক হাবিব তার পূর্বপরিচিত গাড়িচালকের কাছে চলে যান। যার সঙ্গে যোগাযোগ করে এই কাজে তাকে পাঠানোর কথা ছিল তার। ধরা পড়ার ভয়ে ওই চালকের সিম নিজেই নষ্ট করে দেন হাবিব। গত ২০ মে বাড্ডার নর্দা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় হাবিবকে। আর শাহিন মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়।

হত্যার মোটিভ কী : সেলিম পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দিতে বলেছে, তার বিভিন্ন কাজে প্রকৌশলী দেলোয়ার বাধা দিতেন। তার পদোন্নতি আটকে দেবেন বলেও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এজন্যই তিনি তাকে খুন করেন। এ ছাড়া দেলোয়ারকে সরানো গেলে চলতি দায়িত্ব ছাড়াও আরও বড় পদে কাজ করার স্বপ্ন ছিল তার। দেলোয়ার সপদে থাকলে এটা তার জন্য কষ্টসাধ্য হবে বলে মনে করতেন সেলিম। সেলিম নানা অনিয়ম করতেন, এতে তাকে শোকজ করেছিলেন দেলোয়ার। আবার দেলোয়ার ও সেলিম পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি চিঠি চালাচালি চলছিল। ওই চিঠিতে তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন। সেলিম তাকে জড়িয়ে এমন বক্তব্য দিলেও এর পেছনে অন্য মোটিভ রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙা নিয়ে নাসির কাউন্সিলের সঙ্গে দেলোয়ারের বিরোধ ছিল। এ ছাড়া অনেক ঠিকাদার কাজ করে করেই বিল নেওয়ার চেষ্টা-তদবির চালাচ্ছিলেন।

পরিবারের বক্তব্য : প্রকৌশলী দেলোয়ারের স্ত্রী ও মামলার বাদী খোদেজা আক্তার বলেন, শুধু চাকরির বিরোধে কোনো সহকর্মী তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে খুন করবে- এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এর পেছনে অন্য কারণ রয়েছে। প্রভাবশালী কারও হাত রয়েছে। যারা সেলিমকে ব্যবহার করেছে। তার স্বামীকে ২০১৯ সালের দিকে পাঁচ মাস ওএসডি করে রাখা হয়েছিল। কার অনৈতিক স্বার্থে আঘাত দেওয়ায় ওএসডি করা হয়েছিল। তার টেবিলে কী কী ফাইল ছিল। যারা এসব ফাইলে সই করার জন্য চাপ দিচ্ছিল, এসবেরও তদন্ত হোক। ঠিকাদারসহ সিটি করপোরেশনের কেউ কেউ সেই বিল পাসের জন্য তাকে চাপ দিলেও দেলোয়ার এসব বিল আটকে দেন। অপরাধী যত প্রভাবশালী হোক তারা যেন ছাড়া না পান। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলাটির তদন্ত পিবিআইর কাছে স্থানান্তরের জন্য তারা পুলিশ মহাপরিদর্শক বরাবর আবেদন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সেলিমসহ সিটি করপোরেশনের অনেকেই ঠিকাদারদের পক্ষ নিয়েছে। তাকে নানাভাবে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া রাস্তা চওড়া করতে গিয়ে তার স্বামী অনেকের বাড়ি ভেঙেছেন। দখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করেছেন। এতে তার শত্রু সৃষ্টি হয়েছিল। এসব কারণেই তার স্বামীকে খুন হতে হয়েছে। তবে পুলিশ সেলিম পর্যন্ত তদন্ত আটকে রেখেছে। রহস্যজনক কারণে নেপথ্যের কাউকে খুঁজছে না।

নিহতের বড় ছেলে মাশফিকুর সালেহীন হিমেল বলেন, তারা বাবা বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, তার সহকর্মী প্রকৌশলী সেলিম দুর্নীতিবাজ, সিন্ডিকেটের কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলেছে। সেলিম ছাড়া আর কারা হত্যার পেছনে আছে সেটা দেখতে চাই।

হত্যার পর হুমকি পেয়েছিল পরিবার : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অ্যাকাউন্টস অফিসার গোলাম কিবরিয়া দেলোয়ারের স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘সেলিমের বাইরে আর কেউ নেই। তিনি যাতে আর কারও নাম বলে সহকর্মীদের বিপদে ঠেলে না দেন।’ দেলোয়ারের স্ত্রী খোদেজা আক্তার বলেন, অনেকেই বলছেন, আর যেন আমরা কথা না বলি। সব ঘটনাই তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন। নামে-বেনামে নানাজনের প্রচ্ছন্ন হুমকিতে তিন সন্তানসহ আতঙ্কের মধ্যেই থাকেন তিনি। ১০ জুন মিরপুর মডেল থানায় জিডিও করেছেন।

অবশ্য অ্যাকাউন্টস অফিসার গোলাম কিবরিয়ার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বক্তব্য : গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সমকালকে বলেন, আমার এক সহকর্মী নিহত হয়েছেন এটা দুঃখজনক। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কারা খুন করেছে, কারা করিয়েছে তা উদ্ঘাটন হোক। তদন্ত সংস্থাকে বলা আছে, যখন যাকে সন্দেহ হবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে। তবে নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমেই সেলিমের ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ হচ্ছিল। সে একেক জায়গায় একেক ধরনের কথা বলছিল। তিনি আরও বলেন, দেলোয়ারকে কখনও ওএসডি করা হয়নি। কিছু দিন পর প্রধান কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তখন তিনি ট্রেনিং করছিলেন। কোনাবাড়িতে প্রায় একশ’ কোটি টাকার কাজ চলছে। কাজ নিয়ে কারও সঙ্গে দেলোয়ারের বিরোধ ছিল না। কোনো ঠিকাদারের টাকাও আটকে নেই। সেলিমের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। সেটা আমরা পরে জানতে পেরেছি।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পুলিশের উত্তরা বিভাগের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, গ্রেপ্তার তিনজন হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তবে তাদের বাইরেও আর কেউ এ ঘটনায় সম্পৃক্ত কি-না সে ব্যাপারে নিবিড় তদন্ত চলছে। যে গাড়িতে নিয়মিত দেলোয়ার ও সেলিম অফিসে যাতায়াত করছিলেন, ঘটনার দিন সেটি আসতে ঠিকাদারকে নিষেধ করেছিলেন সেলিম- এটা তো তার ধরা পড়ার প্রধান ক্লু হতে পারে। কেন এমন কাঁচা কাজ করলেন সেলিম- এমন প্রশ্নে ডিসি নাবিদ কামাল বলেন, সেলিম পেশাদার কিলার নয়। তাই তার প্ল্যানও ঠিকঠাক ছিল না।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তুরাগ থানার পরিদর্শক (অভিযান) মফিজুর রহমান বলেন, সেলিম ও তার ভাড়াটে দু’জন হত্যা মিশনে ছিল। তবে হত্যার আর কী উদ্দেশ্য হতে পারে সেটা বের করতেই তদন্ত চলছে। মোটিভ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চার্জশিট দেওয়া হবে না।

 

আরো জানতে….

গাজীপুর সিটির নিহত প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রীকে হুমকি

প্রকৌশলী দেলোয়ার খুনে গ্রেপ্তার আনিছুর দুর্নীতিবাজ: মেয়র জাহাঙ্গীর

মাত্র ১৫ হাজার টাকায় প্রকৌশলী দেলোয়ারকে খুন!

প্রকৌশলী দেলোয়ারের পরিবারে এখন কেবলই বিষাদের ছায়া

গাজীপুর সিটির প্রকৌশলী দেলোয়ার হত্যা : ২ জনের দায় স্বীকার, সহকর্মী রিমান্ডে

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলী হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি আইইবি’র

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর লাশ উদ্ধার

 

সূত্র: সমকাল

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button