গাজীপুর

দেশ ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হবে : কৃষিমন্ত্রী

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : ‘‘দেশের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য রাজনৈতিক স্থতিশীলতা দরকার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো সুন্দর থাকা দরকার। আমরা এটা করব। বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হবে’’ বলে মন্তব্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

মন্ত্রী রোববার দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপি ‘বারি প্রযুক্তি প্রদর্শনী-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন ‘‘সরকারে দুটি বিশেষ অঙ্গীকার আছে, এক মধ্যে একটি হলো পুষ্টিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা। এটি জাতির জন্য বড় চ্যালেন্স। দ্বিতীয় চ্যালেন্স হলো ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগ)। দেশে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা। আমাদের ছেলেমেয়েদের দক্ষ জনশক্তিতে গড়ে তুলে চাকরির ব্যবস্থা করা। সেক্ষেত্রে আমাদের আরেকটি চ্যালেন্স আছে কৃষি সম্পর্কে। সেটি হলো কৃষিকে আধুনিকীকরণ, যান্ত্রিকীকরণ এবং বাণিজ্যিকীকরণ।’’

দেশে আর হরতাল-অবরোধ হবে না বলে জানিয়েছেন ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন,‘‘ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে আর এভাবে হরতাল-অবরোধ হবে না। পুলিশের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে আগুনে পুড়িয়ে মারা, শিশুকে হত্যা করা- এটি আর আমরা করতে দেব না।’’

তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছেন। যেকোনো মূল্যে আমরা এটা মোকাবেলা করব। আমাদের আইনশৃংখলা বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি সুশৃঙ্খল। অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে।’’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘‘বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিকভাবে অনেক বেশি সম্মানের জায়গায় রয়েছে। অনেক উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রী আমাদের তুলেছেন। এখান থেকে পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।’’

বারির মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ আব্দুল মাননান এমপি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা, বারি’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মদন গোপাল সাহা, পরিচালক (তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো. লুৎফর রহমান।

মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘‘বিএনপির কথার মধ্যে অনেক অসংলগ্ন কথা বলছে, তারা কী কর্মসূচি নিচ্ছে এটা বোঝা যায় না। ২০১৪ সালে আমরা বলেছিলাম- আপনারা নির্বাচনে আসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন করে ৩৮ মিনিট কথা বলেছিলেন খালেদা জিয়ার সঙ্গে। বলেছিলেন- আসুন একসঙ্গে বসি, কথা বলি, কীভাবে নির্বাচন হবে। অনেক অফারও দিয়েছিলেন, হোম মিনিস্টি, যে মিনিস্টি চান দেওয়া হবে। তবুও এ দেশে যেন এমন তত্বাবধায়ক সরকার না হয়, যা নিয়ে মানুষের মধ্যে নির্বাচনের পরে যেন সমালোচনা না হয়। কিন্তু খালেদা জিয়া সাড়া দেননি। আজকে তারা তার পরিণতি ভোগ করছেন।’’

তিনি বলেন, ‘‘এবারের নির্বাচন এখনো তারা মেনে নেয়নি। নানান ষড়যন্ত্রের মধ্যে তারা জড়িয়ে আছে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে। আমরা উন্নয়নের কথা বলছি। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা খুবই দরকার। তার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দরকার।’’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button