আলোচিতগাজীপুর

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট: নিয়োগ পরীক্ষায় ফেল, তারপরও দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছেন ৩৮ জন!

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো চাকরি পেতে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য কিংবা আবেদন না করেও কি চাকরি পাওয়া সম্ভব? অবাস্তব মনে হলেও সত্যিই সম্ভব।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএআরআই) ঘটেছে এমনই আজব ঘটনা। নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পরও সাত বছরের বেশি সময় ধরে বৈজ্ঞানিক সহকারী হিসেবে দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছেন ৩৮ জন। এমনকি আবেদন না করেও চাকরি করছেন চারজন।

নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া ওই ৩৮ বৈজ্ঞানিক সহকারী বর্তমানে গাজীপুর, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বগুড়া, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, পাবনা ও জামালপুরসহ বিএআরআই’র বিভিন্ন গবেষণা বিভাগে কর্মরত।

যদিও গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত ওই ইনস্টিটিউটে ২০১৩ সালে মোট ৬৮ বৈজ্ঞানিক সহকারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪২ জনের নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। তাদের মধ্যে ২৪ জন লিখিত পরীক্ষায় এবং ১৪ জন মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। কোনো আবেদন ছাড়াই নিয়োগ পান চারজন।

অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব বিভাগীয় তদন্ত ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বড় অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ নিয়েছিলেন তারা। আরও অবাক করা তথ্য হলো, ওই কর্মকর্তারা এখনও বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন।

শুধু তা-ই নয়, বিভাগীয় তদন্তে তৎকালীন মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম মন্ডল ও তার আত্মীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমানকে দায়ী করা হলেও বড় ধরনের কোনো শাস্তির মুখোমুখি হননি তারা। কেবল মোস্তাফিজুর রহমান সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন) মো. কামরুল হাসান বলেন, নিয়োগপ্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক সহকারীদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে পৃথক তদন্ত এখনও চলমান। বিভাগীয় ব্যবস্থার বিষয়টিও চলমান।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনের চলতি দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া তৎকালীন মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে যতটুকু জানি দুদক ব্যবস্থা নিচ্ছে। যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত এখনও চলমান। অনিয়মের সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের শাস্তি পেতে হবে।

অন্যদিকে, অনুসন্ধান-পর্যায়ে বিএআরআই’র তদন্ত প্রতিবেদনসহ অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান। চলছে মামলার সুপারিশসহ আইনি ব্যবস্থার কাজ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

অনুসন্ধান কাজের তদারকি কর্মকর্তা দুদক পরিচালক আকতার হোসেন আজাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি অনুসন্ধানপর্যায়ে দুদকের আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।

নিয়োগপ্রাপ্ত ৪২ বৈজ্ঞানিক সহকারী যারা

৪২ বৈজ্ঞানিক সহকারীর মধ্যে ২৪ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ১৪ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সাক্ষাৎকার বা মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। কোনো আবেদনপত্র পাওয়া যায়নি চারজনের।

লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ফেল করেন যারা- মো. ফরহাদ আহম্মেদ (রোল- ১২৬১৮), মো. ফজলুল হক (রোল-১১৫৮৮), মো. মামুনুর অর রশিদ (রোল- ১২০২২), মো. হারুন-অর-রশিদ (রোল- ১২০২২), মো. সরিফুল ইসলাম (রোল- ১১৮৬৬), মো. আল মাহমুদ পলাশ (রোল- ১২৪৪৫), মো. আবুজার রহমান (রোল- ১২৩৫৭), হাসান মাহমুদ (রোল- ১০৩৮০), নাসরিন নাহার (রোল- ১১৬৭০), মো. হুমায়ুন কবির (রোল- ১২৪৫৬), মো. গোলাম সাকলাইন (রোল- ১২০৬৭), মো. হেলালুজ্জামান (রোল- ১১৯৯১), তাজুল ইসলাম (রোল- ১০০৮২), মো. মোফাখখারুল আলম (রোল- ১২৫২২), রাজিব হাসান (রোল- ১০২৭২), মো. আসাদ আলী (রোল- ১১৯৪০), মোহাম্মদ আলী (রোল- ১২৩৯৫), সামসুল আলম (রোল- ১০২৪৩), মো. আবু সাঈদ ভূঁইয়া (রোল- ১১৫১০), মো. তোতা মিয়া মন্ডল (রোল- ১২৩৫৯), মেহেদী হাছান (রোল- ১২৮৯৫), মো. সবুজ বিশ্বাস (রোল- ১০৯১২), মো. সবুজ আলী (রোল- ১০০২৫) ও মো. মফিজুল ইসলাম (রোল- ১১৯৬৭)।

লিখিত পরীক্ষায় পাস কিন্তু চূড়ান্ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য যারা- মো. সেরাজুল ইসলাম (রোল- ১০০৫৯), এ কে এম মুসা মন্ডল (রোল- ৫০৬৫০), মো. মকুল মিয়া (রোল- ১০৬৬৮), নুরুল হাসান (রোল- ১২২৭০), সুজন কুমার দাস (রোল- ১০৩৯১), মশিউর রহমান (রোল- ১১১৭৬), মো. রফিকুল ইসলাম (রোল- ১২৫৯৫), মো. আরিফুজ্জামান (রোল- ১২২২০), জি এইচ এম রায়হান কবির (রোল- ১০৯২৯), সনজিত কুমার বর্মন (রোল- ১২১৬৪), প্রকাশ চন্দ্র সরকার (রোল- ১০৬৩৫), মো. এনামুল ইসলাম (রোল- ১০১৪৯), মোহাম্মদ মামুন-অর রশিদ (রোল- ১০৫১১) এবং ফিরোজ আহমদ (রোল- ১০১৩৫)।

আবেদন না করেও চাকরি করছেন যারা- মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ফরিদুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তদন্ত প্রতিবেদন যা বলছে

২০১৩ সালে বৈজ্ঞানিক সহকারী নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টি তদন্তের জন্য বিএআরআই’র জয়দেবপুর গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. সাখাওয়াত হোসেনকে সভাপতি করে ২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কীটতত্ত্ব বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ নুরুল আলম ও উদ্যানতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল চন্দ্র সরকার। কমিটি ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে।

তদন্ত কমিটির ২০১৮ সালের ১৪ মে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তদন্ত-প্রক্রিয়ার বিষয়ে সকল তথ্যপ্রমাণ ও নথি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ওই বছরের ১৬ মে তদন্ত কমিটির বৈঠকে বারি প্রশাসন শাখা থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র পরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ২০১৩ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক বৈজ্ঞানিক সহকারীর নিয়োগপত্রের কপি মূল নথিতে নেই। যেসব বৈজ্ঞানিক সহকারীর নিয়োগপত্র পাওয়া যায়নি, তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যাদির জন্য বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের প্রধানদের কাছে নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানোর জন্য চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কমিটি। এরপর বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র ও বারি প্রশাসন থেকে সংগৃহীত নথি পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি দেখতে পায় যে, মোট ৪২ বৈজ্ঞানিক সহকারীর নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

তদন্তকালে কমিটি নথিপত্র ও অভিযোগ-সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণে কয়েক দফা সময় বৃদ্ধি করে নেয়। এর মধ্যে অভিযুক্ত বৈজ্ঞানিক সহকারীদের বিষয়ে কমিটির সভাপতি ও পরিচালকের অফিস কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। নির্ধারিত কিছু প্রশ্নমালার ভিত্তিতে লিখিতভাবে উত্তর গ্রহণ করা হয়। এরপর কমিটির সামনে হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য নিয়োগপত্রে স্বাক্ষরকারী তৎকালীন উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানকে হাজির হতে চিঠি দেয় কমিটি। কিন্তু তিনি নির্ধারিত তারিখে হাজির না হয়ে কিছু অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উল্লেখ করে এক মাসের সময় চেয়ে আবেদন করেন। পরবর্তীতে তাকে এক সপ্তাহ সময় দিয়ে হাজির হতে বলা হলেও তিনি হাজির হননি বা কোনো ধরনের বক্তব্য দেননি।

অন্যদিকে, নিয়োগ কমিটির তৎকালীন সভাপতি পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. জলিল ভূঁঞা তার বক্তব্য প্রদান করে বলেন, ‘নোটশিটে অনুমোদনের মাধ্যমে যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে তিনি অবহিত। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে কোনো নিয়োগে দেওয়া হয়ে থাকলে সে সম্পর্কে তিনি অবহিত নন।’

তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে যা বলা হয়েছে

২০১৩ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত মোট ৬৯ বৈজ্ঞানিক সহকারীকে বিএআরআই’র বিভিন্ন কেন্দ্রে যোগদানের কথা বলা হয়। কিন্তু জহুরুল ইসলাম নামের একজনের যোগদানের বিষয়ে কোনো প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি। তবে সিলেকশন কমিটির অনুমোদনসহ বারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা ও নথিপত্র পরীক্ষা করে দেখা যায়, ৬৮ বৈজ্ঞানিক সহকারীর মধ্যে মাত্র ২৬ জনের নিয়োগ যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের নিয়োগপত্রের অফিস কপি নথিতে সংরক্ষিত আছে।

২০১৩ সালে বৈজ্ঞানিক সহকারী নিয়োগের জন্য নিয়োগ সংক্রান্ত সব পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের সিলেকশন কমিটির স্বাক্ষরিত স্কোরশিট (Tabulation sheet ) সংশ্লিষ্ট নথিতে পাওয়া যায়নি। বাকি ৪২ বৈজ্ঞানিক সহকারীর নিয়োগ নথি অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়ায় অনুসরণ করা হয়নি। এদের মধ্যে ১৪ জন আইবিএ কর্তৃক গৃহীত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সাক্ষাৎকার বা মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ২৪ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কোনো আবেদনপত্র পাওয়া যায়নি চারজনের।

শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৩৫০ বৈজ্ঞানিক সহকারীর গ্রেড উন্নয়নেও অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিষয়টি দুদকের অনুসন্ধানপর্যায়ে রয়েছে। এখানেও অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে।

বেতন-ভাতা উত্তোলনের নামে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে ৩৫০ বৈজ্ঞানিক সহকারীর বিরুদ্ধে। দশম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণি) না হওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে আদেশ জারি করে বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। এর সঙ্গে যাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তারা হলেন- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান, সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অডিট) মো. ইউনুস আলী, উপ-পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. শাহ আলম মৃধা ও বৈজ্ঞানিক সহকারীদের নেতা ফকির মো. বেলায়েত হোসেন।

এ অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএআরআই’র পরিচালক (পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন) মো. কামরুল হাসান বলেন, গ্রেড উন্নয়নের বিষয়টি দুদক থেকে পর্যবেক্ষণ দেওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়কে লেখা হয়েছিল। এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়-পর্যায়ে এটি পরীক্ষাধীন রয়েছে। ১১ থেকে দশম গ্রেড উন্নয়নে ওইভাবে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কারণ, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠানে আমাদের সমজাতীয় পদেও সাধারণ আদেশে গ্রেড উন্নয়ন হয়। আমাদের প্রতিষ্ঠান সেটাই অনুসরণ করে। এছাড়া, যাদের গ্রেড উন্নয়ন করা হয়েছিল সেই আদেশ বাতিল করে ১১তম গ্রেডে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রেড উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্ভিস রুল পরিবর্তন, চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স অন্তর্ভুক্তসহ বেশকিছু শর্ত দেওয়া হয়েছিল। আমরা সার্ভিস রুল পরিবর্তন করে প্রযোজ্য শর্তগুলো পরিপালন করে আবারও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবেচনার জন্য পাঠিয়েছি। যা এখনও বিবেচনাধীন।

 

তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close
Close