গাজীপুর

কালীগঞ্জে খেতের ‘ফসল নষ্ট’ করায় ছাগল জবাই, পিটিয়ে যুবককে হত্যা!

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কালীগঞ্জে খেতের ফসল (সবজি) নষ্ট করায় ছাগল জবাই করে খেয়ে ফেলার দায়ে আজিজুর রহমান (৩৩) এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) অভিযুক্তদের নামে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সকলেই পলাতক রয়েছে।

এর আগে বুধবার (১৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহত আজিজুর রহমান জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের রয়েন গ্রামের মৃত আবুল হাশেম খাঁনের ছেলে।

সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।

জানা যায়, অভিযুক্তরা হলো, মুস্তাক খাঁন (২৭), কাউসার (২৮), ফয়সাল (২৬), নুরুনানাহার (৫০), তানভির এবং করিম পাঠান।

নিহতের স্বজনরা ও পুলিশ জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশীর এক ছাগল আজিজুর রহমানের চাষ করা ফসলি (সবজি) খেতে ঢুকে পড়ে এবং কিছু সবজি খেয়ে ফেলে ছগলটি। এরপর সেই ছাগলটিকে আজিজুর দা দিয়ে ধাওয়া করলে ছাগলটি গুরুত্বর আহত হয়। পরে ছাগলটি জবাই করে ওইদিন রাতেই জবাই করে বন্ধুদের নিয়ে খেয়ে ফেলে আজিজুর। এরপর বুধবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে সে তার বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় যাওয়ার পর ওই ঘটনার জেরে ছাগলের মলিকপক্ষ অভিযুক্ত মুস্তাক খাঁনসহ অন্যরা আজিজুরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে বিকেল তিনটার দিকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ”আজিজুর রহমানকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার পর তাকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আছমা খাতুন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন {মামলা নাম্বার ১০(৪)২১}।”

পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম আরো বলেন, ”হামলাকারী ছয়জনসহ জড়িত বেশ কয়েকজনকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সকলেই পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close
Close