গাজীপুর

‘তথ্য গোপন’ করেছে হত্যা মামলার আসামি পরিমল, অন্য পাঁচজন বিভিন্ন পেশার

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : কালীগঞ্জ পৌরসভার খঞ্জনা, ভাদগাতী, বড় নগর, চৌড়া নয়াবাড়ী এবং চান্দাইয়া গ্রাম নিয়ে গঠিত ৬ নং ওয়ার্ড। আসন্ন পৌর নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বর্তমান কাউন্সিলরসহ ছয়জন প্রার্থী লড়ছেন।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জ পৌরসভায় দ্বিতীয়বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

৬ নং ওয়ার্ডে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র ঘোষ (ব্রিজ), কাদির হোসেন (পাঞ্জাবি), প্রবীর চন্দ্র দাস (পানির বোতল), আবদুস ছালাম (উট পাখি), ছিদ্দিকুর রহমান (টেবিল ল্যাম্প) এবং লোকমান হোসেন পনির (ডালিম)।

এই ছয় প্রার্থীই রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হলফনামায় নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সম্পদের হিসেব দিয়েছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র ঘোষ পৌরসভা থেকে “সম্মানীভাতা” বাবদ বছরে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা উত্তোলন করলেও হলফনামায় এই ‘তথ্য গোপন’ করেছেন। এছাড়াও একটি হত্যা মামলার চার্জশিট ভুক্ত এক নাম্বার আসামি পরিমল চন্দ্র ঘোষ।

রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিলকৃত হলফনামার তথ্যমতে, কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র ঘোষ তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘বি.এ’ পর্যন্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে একটি মামলা রয়েছে।

পেশা কৃষি বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন তিনি।

কৃষিখাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

তবে পৌরসভা থেকে “সম্মানীভাতা” বাবদ বছরে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা উত্তোলন করলেও এই ‘তথ্য গোপন’ করেছেন তিনি!

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে এই প্রার্থীর নগদ আছে ১৫ হাজার টাকা, ব্যাংকে কোন টাকা জমা নেই। তবে তার স্ত্রীর নগদ বা ব্যাংকে কোন টাকা জমা নেই।

এছাড়াও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোবাইল, ফ্রিজ, ফাখা ৪টি এবং টিভি ২টি। নির্ভরশীলদের নামে ২টি ল্যাপটপ।

তার স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে ২ ভরি।

আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে খাট ৩টি, সোফা ১ সেট, আলমারি এবং সুকেজ। তার স্ত্রীর রয়েছে সুকেজ ও সোফা।

স্থাবর সম্পদ বলতে এই প্রার্থীর কৃষি জমি আছে .০৩ শতাংশ। আধাপাকা দালান এবং আধাপাকা বাড়ী রয়েছে তার।

অপরদিকে ব্যাংকে কৃষি ঋণ আছে ৮৯ হাজার ২’শ টাকা।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ৫০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি কৃষি খাত থেকে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জের ব্যবসায়ী কৃষ্ণচন্দ্র দাস হত্যা মামলার চার্জশিট ভুক্ত এক আসামি পরিমল চন্দ্র ঘোষ। মামলাটি বর্তমানে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এ বিচারাধীন রয়েছে।

কৃষ্ণহত্যার সাড়ে ছয় বছর পর চার্জশিট, টাকা নিয়ে চাকরি না দিয়ে হত্যা করেন আ.লীগ নেতা

সাবেক এমপি পুত্র হত্যা মামলার বাদী নিরাপত্তাহীনতায় : থানায় সাধারণ ডায়েরী

 

কাউন্সিলর প্রার্থী কাদির হোসেন তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘অক্ষরজ্ঞান সম্পূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে কোন মামলা নেই।

কৃষিখাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ৬০ হাজার টাকা এবং ব্যবসা থেকে আয় আরো ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে এই প্রার্থীর নগদ আছে ৮০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা আছে ২০ হাজার টাকা। তবে তার স্ত্রীর নগদ আছে ১০ হাজার টাকা তবে ব্যাংকে কোন টাকা জমা নেই।

এছাড়াও তার স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে প্রায় ২ ভরি।

ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ফ্রিজ এবং টিভি।

আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে খাট, আলমারি, সুকেজ এবং ডাইনিং টেবিল।

স্থাবর সম্পদ বলতে এই প্রার্থীর অকৃষি জমি আছে ১ বিঘা। এই প্রার্থীর নিজের কোন বাড়ী নেই, তার পিতার টিনসেড বিল্ডিং রয়েছে।

ব্যাংকে কোন দায়-দেনা নেই।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ৫০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি ব্যবসার অর্থ থেকে।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী প্রবীর চন্দ্র দাস তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘বি.এ’ পর্যন্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে কোন মামলা নেই।

পেশা কৃষি বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন তিনি।

কৃষিখাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ৪০ হাজার টাকা।

ব্যাংকে কোন দায়-দেনা নেই।

এছাড়া আর কোন তথ্য নেই হলফনামায়।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ২০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি কৃষিখাত থেকে।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুস ছালাম তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘অষ্টম শ্রেণি’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে মামলা আছে ২ টি। মামলাগুলো বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

পেশা ব্যবসা বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন তিনি।

ব্যবসা থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে এই প্রার্থীর নগদ আছে ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা আছে আরো ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তবে তার স্ত্রীর নগদ ও ব্যাংকে কোন টাকা জমা নেই।

এছাড়াও তার স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে ১ ভরি।

ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ফ্রিজ, টিভি এবং ফ্যান।

আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে খাট, আলমারি, টেবিল এবং চেয়ার।

স্থাবর সম্পদ বলতে এই প্রার্থীর কৃষি জমি আছে ১৮ শতাংশ। তার স্ত্রীর কৃষি জমি আছে ৫ শতাংশ।

এই প্রার্থীর আধা পাকা দালান রয়েছে।

ব্যাংকে কোন দায়-দেনা নেই।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ৫০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি ব্যবসার অর্থ থেকে।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী ছিদ্দিকুর রহমান তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘এস.এস.সি’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে কোন মামলা নেই।

পেশা ‘এডভোকেট ক্লার্ক’ বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।

কৃষিখাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ৫ হাজার টাকা এবং ‘এডভোকেট ক্লার্ক’ পেশা থেকে আয় আরো ৩ লাখ টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে এই প্রার্থীর নগদ কোন টাকা নেই, ব্যাংকে জমা আছে ৩২ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর ব্যাংকে জমা আছে ৩৫ হাজার টাকা।

এছাড়াও তার স্ত্রীর স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে প্রায় ২ ভরি।

ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ফ্রিজ এবং টিভি।

আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে খাট ৩টি, আলমারি ১টি, সুকেজ ৩টি, ডাইনিং টেবিল এবং সোফা।

স্থাবর সম্পদ বলতে এই প্রার্থীর কৃষি জমি আছে ১৫ শতাংশ। তার স্ত্রীর ৬ শতাংশের একটি পুকুর রয়েছে।

এই প্রার্থীর একটি বাড়ী এবং তার স্ত্রীর ১৫ শতাংশ জমিতে টিনসেড বিল্ডিং রয়েছে।

ব্যাংকে কোন দায়-দেনা নেই।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ৫০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি ব্যবসার অর্থ থেকে।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী লোকমান হোসেন পনির তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘বি.এ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে কোন মামলা নেই।

কোন পেশা নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।

কৃষিখাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ২৪ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে এই প্রার্থীর নগদ আছে ১০ টাকা, ব্যাংকে জমা আছে ৫ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নগদ বা ব্যাংকে কোন টাকা জমা নেই।

এছাড়াও তার স্ত্রীর অল্প কিছু স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ফ্রিজ এবং টিভি।

আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে খাট, সুকেজ এবং ওয়ারড্রব।

প্রার্থী বাড়ী বা স্থাবর কোন সম্পদ নেই এবং ব্যাংকে কোন দায়-দেনাও নেই।

তিনি নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন মোট ৭০ হাজার টাকা। এই ব্যয় মেটাবেন তিনি কৃষিখাত থেকে।

খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী ৬ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৬৭৬ জন। ভোট কেন্দ্র ২ টি। চৌড়া নয়াবাড়ী সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এবং পুরাতন ভবন।

হলফনামার তথ্য দিয়ে কার কী?

নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে হলফনামার মাধ্যমে কমিশনকে সম্পদের বিবরণসহ আট ধরনের তথ্য দিতে হয়। কিন্তু এই তথ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন কী করে? ভুল বা অসত্য তথ্য দিলে কি কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়?

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জনা যায়, ‘‘নির্বাচন কমিশন নিজে কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই করে না। তবে কেউ কোনো অভিযোগ করলে তা খতিয়ে দেখে। নির্বাচন কমিশন তথ্য পর্যবেক্ষণ করে। প্রয়োজন হলে তদন্তও করেন।”

”হলফনামার উদ্দেশ্য হলো এলাকার ভোটাররা যেন প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে পারেন। তারা যেন ভোটের সিদ্ধান্ত নিতে এসব তথ্য কাজে লাগাতে পারেন। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে পারেন।”

”তবে নির্বাচন কমিশন নিজ উদ্যোগে এসব তথ্য যাচাই বা অনুসন্ধান করে দেখে না। প্রার্থীরা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আদালতের সামনে এসব তথ্য ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশন তাদের দেয়া তথ্য সত্য বলে ধরে নেন। তবে কেউ কোনো অভিযোগ করলে আর সেটা যদি নির্বাচন সংক্রান্ত হয় তাহলে কমিশন সেটা দেখে। নির্বাচনের পরেও ইলেকশন ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ করা যায়।”

”তবে দুর্নীতি, সম্পদের বিবরণীতে অসত্য তথ্য দিলে সেটা সরকারের অন্যকোনো দায়িত্বশীল সংস্থাও যেকোনো সময় দেখতে পারে। বিশেষ করে সম্পদ, আয়, এর উৎস এগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন দেখতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন প্রার্থীদের এইসব হলফনামার তথ্য পর্যবেক্ষণে করে। হলফনামা ধরে কেউ যদি কোনো অভিযোগ করে তাহলে দুদক তদন্ত করে।”

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। গত ৪ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে। কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের জন্য মেয়র পদে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও সাধারণ কাউন্সিলর পদে এক নরীসহ ৩৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ১২ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ এবং আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) বিরতিহীনভাবে ভোট নেওয়া হবে। পৌরসভায় নয়টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে।

ভোটার তালিকা অনুযায়ী কালীগঞ্জ পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৬ হাজার ৬৪০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ৩২১ জন ও মহিলা ভোটার ১৮ হাজার ৩১৯ জন। আর ১৭টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কালীগঞ্জ পৌরসভার কার্যক্রম শুরু হয়।

এরপর ২০১৩ সালের ২০ জুন কালীগঞ্জ পৌরসভার প্রথম নির্বাচন সম্পন্ন হয়। ওই নির্বাচনে মেয়র পদে দুজন, নয়টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫২ জন ও তিনজন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সে সময় পৌরসভার মোট ভোটারসংখ্যা ছিলো ৩০ হাজার ৪৯৬ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৪০১ জন ও নারী ১৫ হাজার ৯৫ জন।

 

আরো জানতে…..

কালীগঞ্জে নির্বাচনী এলাকায় ১১ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ এবং ২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচন: শুক্রবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রচারণা

কেন্দ্র দখলের আশঙ্কা: ”সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা” নেয়ার দাবী

পৌর নির্বাচন: অর্থ-সম্পদ নেই, তবু ‘তথ্য গোপন’ রিপনের: শান্তা, জামান ও নাইম ব্যবসায়ী

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচন: অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচন: মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে লড়াই হবে ত্রিমুখ

পৌর নির্বাচন: আতাব উদ্দীনের ‘ঋণ’ কোটি টাকা, বাদল এগিয়ে শিক্ষায়, আকরাম ব্যবসায়ী

পৌর নির্বাচন: শিক্ষা ও অর্থ-সম্পদে এগিয়ে আফসার, ‘তথ্য গোপন’ রয়েছে চান্দু মোল্লার!

পৌর নির্বাচন: হাসেম ভূইয়া এগিয়ে অর্থ-সম্পদে, মোমেন মামলায়, আরমান ‘অক্ষরজ্ঞান সম্পূর্ণ’

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচন: শিক্ষা ও অর্থে এগিয়ে স্বতন্ত্র, ব্যবসায়ী আ.লীগ, মামলায় এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী

কালীগঞ্জে ৪ মেয়র প্রার্থীসহ ৪৯ জনের মনোনয়ন দাখিল

খসড়া তালিকা অনুযায়ী কালীগঞ্জ পৌরসভার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৩৫ জন, ভোট কেন্দ্র ১৭ টি

কালীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন এস এম রবীন হোসেন

কালীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি: ভোট ইভিএমে, থাকবে না সাধারণ ছুটি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close
Close