অর্থনীতিআলোচিতরাজনীতি

এরশাদের আমলেই রাজনীতিতে জায়গা করে নেন ব্যবসায়ীরা

গাজীপুর কণ্ঠ ডেস্ক : মেয়র, এমপি বা ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ খালি হলেই সেখানে জায়গা করে নিচ্ছেন কোনো না কোনো ব্যবসায়ী। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের মধ্যেও প্রায় ৬২ শতাংশই ব্যবসায়ী। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের এ ক্রমবর্ধমান আধিপত্য নিয়ে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ হলো, মূলত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে প্রত্যক্ষ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের রাজনীতিতে প্রভাবক শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটেছিল ব্যবসায়ীদের।

বিভিন্ন সময়ে বেসরকারি বিভিন্ন উৎসে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ই রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ওই সময়ে সংসদে নির্বাচিত এমপিদের ৫৯ শতাংশেরও বেশি ছিলেন ব্যবসায়ী। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ হার কমে এলেও পরের নির্বাচনগুলোয় তা আবার বাড়তে থাকে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ব্যবসায়ী ছিলেন সাড়ে ৫৩ শতাংশ। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ শতাংশে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অনুসন্ধান চালিয়েছেন গবেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদের এশিয়া ডায়ালগে প্রকাশিত ‘মানি পলিটিকস অ্যান্ড দ্য স্ট্রাকচারাল পাওয়ার অব বিজনেস ইন দ্য পলিটিক্যাল ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক নিবন্ধে উঠে আসে, আশির দশকের মাঝামাঝিতে এসে দেশের রাজনৈতিক অর্থনীতিতে নতুন কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় হয়ে ওঠে অর্থের রাজনীতি। অর্থ হয়ে ওঠে দলীয় নীতিমালা এবং স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। নব্য ধনীদের জন্য দলীয় কমিটি ও বিশেষ করে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখলের সুযোগ করে দেয় টাকা। এ টাকার রাজনীতির ফল হিসেবেই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী জায়গায় বিশেষ করে সংসদে আধিপত্যশীল অবস্থান গড়ে তোলেন ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, বিষয়টির পথ সুগম হয়েছিল পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে। রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বাড়ার সুফল ও কুফল দুটোই রয়েছে। সুফল হলো এর কারণে পুঁজিবাদী উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। অন্যদিকে কুফল হলো এর ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা নানা সুবিধা নিতে পেরেছেন। আরেকটি বিষয় হলো জাতীয় সংসদে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রতিনিধিত্বমূলক অংশগ্রহণ হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এখন সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিপত্যই বেশি। কৃষকদের কোনো অংশগ্রহণ নেই।

একই বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী গবেষণা চালিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিক্যাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক অধ্যাপক প্রয়াত স্ট্যানলি এ কোচানেক। এ বিষয়ে তার ‘দ্য রাইজ অব ইন্টারেস্ট পলিটিকস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক নিবন্ধেও দেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের প্রভাবক শক্তি হিসেবে উত্থানের সময়কাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এরশাদের শাসনামলকেই।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ব্যাপক বিরাষ্ট্রীয়করণের মধ্য দিয়ে উত্থান ঘটে নতুন এক উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী শ্রেণীর। অর্থনীতিতে ব্যাপক উদারীকরণ ঘটে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ দাতাগোষ্ঠীর উৎসাহে। ব্যক্তি খাতে ঋণের প্রবাহ হয়ে ওঠে অবাধ থেকে অবাধতর। রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ আনুকূল্যকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভব ঘটে নতুন এক ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা অভিজাত সম্প্রদায়ের। নতুন এ অভিজাত শিল্পোদ্যোক্তা শ্রেণীর নেতৃস্থানীয়রা নিজেরাও ছিলেন পরস্পরের ঘনিষ্ঠ। বিভিন্ন ব্যবসা সংগঠনের শীর্ষ পদগুলোয় উঠে আসার পাশাপাশি একপর্যায়ে সরকার, আইন ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে থাকেন তারা।

রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব দেশে সুস্থ রাজনীতি ও ব্যবসায়িক পরিবেশের বিকাশকে ব্যাহত করে বলে মনে করছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, অর্থবিত্তের প্রভাবে জনপ্রতিনিধিত্বে রাজনীতিবিদদের জায়গা দখল করে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় বেশকিছু খাত তাদের করায়ত্তও হয়ে পড়েছে। রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের এমন উত্থান দেশের রাজনীতি ও ব্যবসায়িক খাত—উভয়ের জন্যই অশনিসংকেত। রাজনীতিবিদদের জায়গা ব্যবসায়ীরা দখল করে নেয়ায় সুস্থ রাজনীতির বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে ঢুকে পড়া ব্যবসায়ীরা প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের জন্য সাফল্য ও সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নিতে পারছেন। ফলে ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।

এরশাদের পতনের পর বিএনপি ক্ষমতায় আসে নব্বই দশকের শুরুতে। এর কিছুদিনের মধ্যেই এক ধরনের মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায় সরকার ও ব্যবসায়ীরা। দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দুর্বলতা ও অদক্ষতার কারণে সরকারপ্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগানোর অভিযোগ তোলে সরকার। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ছিল, ব্যক্তি খাতের দুর্বলতা নয়, বরং সরকারের শ্লথতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণেই অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে আরো সক্রিয় করে তোলায় উদ্যোগী হন ব্যবসায়ী নেতারা।

ওই সময় তদবিরবাজি, লাল ফিতা ও দুর্নীতিসহ আমলাতান্ত্রিক নানা জটিলতার কারণে দেশের ব্যবসায়িক খাতের সমস্যাগুলো আরো প্রকট হয়ে উঠছিল। উপরন্তু বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক বছরের মধ্যেই রাজনৈতিক পরিবেশের ক্রমাবনতি পরিস্থিতিকে আরো গোলমেলে করে তোলে। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ১৯৯৪ সালের অক্টোবরে এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিনের মধ্যেই রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা শুরু করেন এফবিসিসিআইয়ের তত্কালীন নবনির্বাচিত সভাপতি। দেশের অর্থনীতিতে রাজনৈতিক সংকটের প্রতিকূল প্রভাবের বিষয়টি সামনে এনে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও বিরোধী দল আওয়ামী লীগের প্রতি সংলাপে বসার আহ্বান জানান তিনি। কিন্তু তার এ প্রয়াস সফল হয়নি।

এদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ দিন দিন আরো খারাপের দিকে যেতে থাকে। এমন অবস্থায় ১৯৯৫ সালের শেষ দিকে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটার অনুপস্থিতি ও কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত ওই নির্বাচনের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ক্রমাগত হরতাল ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সরকার অচল হয়ে পড়ায় রীতিমতো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে অর্থনীতি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলগুলো। একপর্যায়ে রাজনৈতিক দলের বাইরে অন্যরাও এ দাবির পক্ষে সচল হয়ে ওঠে। নিরপেক্ষ অবস্থান ত্যাগ করে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ও চলে আসে আন্দোলনের সামনের সারিতে। ১৯৯৬ সালের ১১ মার্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি সরকারের প্রতি ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয় এফবিসিসিআই। একই দিনে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএর পক্ষ থেকেও দেয়া হয় ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম। পরে এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের আলটিমেটাম আরো ৪৮ ঘণ্টা বাড়ানো হয়। পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনও এ দাবিতে উচ্চকিত হয়ে উঠলে দাবি মানতে বাধ্য হয় সরকার।

এ ঘটনা ছিল দেশের রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের প্রত্যক্ষভাবে প্রভাব বিস্তারের প্রথম প্রয়াস। পরে দিন দিন রাজনীতিতেও তাদের সরাসরি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ আরো বেড়ে যায়। বাড়তে থাকে সংসদে নির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ব্যবসায়ীর হারও। বিষয়টিকে সমালোচনা করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, এখন বাজার অর্থনীতি বাজার রাজনীতির জন্ম দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা রাজনীতি করছেন আর রাজনীতিবিদরা ব্যবসা করছেন। এ অশুভ মিলনের ফলে ব্যবসায়িক রাজনীতির জন্ম হয়েছে। ব্যবসায়ীরা আগে টাকা দিয়ে রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণ করতেন। এখন তারা দেখছেন যে ভায়া মিডিয়া কেন করব? সরাসরিই হওয়া যায়। এ কারণে তারা ভাবছেন, টাকা দিয়ে কেন কাজ করাব, নিজেই সরাসরি রাজনীতিতে নামব।

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা থাকলেও ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ এরই মধ্যে রাজনীতিতে এসে ব্যাপক নন্দিত হয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক মেয়র প্রয়াত আনিসুল হকের কথা। ২০১৫ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠার আগে বিভিন্ন সময়ে এফবিসিসিআই, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বিজিএমইএ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অকালমৃত্যুর কারণে মাত্র দুই বছর রাজনীতিতে পূর্ণভাবে সক্রিয় থাকার সুযোগ পেলেও এর মধ্যেই জনগণের নৈকট্য অর্জন করতে পেরেছিলেন তিনি।

রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের ক্রমবর্ধমান একাধিপত্য সম্পর্কে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ নূহ উল আলম লেনিনের অভিমত হলো, সাংবিধানিকভাবে প্রত্যেক নাগরিকের রাজনীতির অধিকার আছে। যে ব্যবসা করবে, সে রাজনীতি করতে পারবে না, বিষয়টি এমন নয়। শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা দুনিয়ায় যেখানে নতুন করে পুঁজিবাদী বিকাশ হচ্ছে, সেখানেই এটি ঘটছে। বাংলাদেশেও বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে জিয়া ও এরশাদ যখন প্রো-পিপল পলিসি চেঞ্জ করে দিল, তখন ধনতন্ত্রের অবাধ বিকাশের পথ হলো। সে সময় ধীরে ধীরে রাষ্ট্রক্ষমতাকে আয়ের উপায় হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ব্যবসায়ীরা তখন দেখলেন, রাজনীতিটা হলো সুযোগ। রাজনীতির ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা ধনসম্পদ গড়ে তুলতে পারেন। অন্যদিকে মার্কেন্টাইল ক্যাপিটাল ডেভেলপ করার পর এর সঙ্গে জড়িতরা সংসদ ও আইনকে প্রভাবিত করা বা সম্মানের জন্য হলেও রাজনীতিতে যোগ দেয়া শুরু করলেন। অন্যদিকে রাজনীতিবিদরাও এখন নানা ব্যবসায় যুক্ত হয়ে গেছেন। এটা বাদ দেয়ার কোনো উপায়ও নেই। এক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল বা দলের নেতাদের সতর্ক হতে হবে, যাতে টাকাওয়ালাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়। তাই বলে তারা দল করতে পারবে না বা সংসদে যাবে না—এটা হবে না। এদিক থেকে ভারসাম্য রাখতে হবে।

আনিসুল হকের উত্তরসূরি ডিএনসিসির বর্তমান মেয়রও রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠার আগে পরিচিত ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা হিসেবেই। ২০১৩-১৪ মেয়াদে বিজিএমইএর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্য থেকে সংসদে আইনপ্রণেতাদের তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক একজন সভাপতি। ঢাকার একটি আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে এফবিসিসিআই সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া বর্তমান মন্ত্রিসভার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্যও ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

 

 

সূত্র: বণিক বার্তা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close
Close