আন্তর্জাতিক

ওসামা বিন লাদেনের ছেলে হামজা নিহত: যুক্তরাষ্ট্রের দাবি

গাজীপুর কণ্ঠ, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা নেতা ওসামা বিন লাদেনের ছেলে হামজা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

তবে ৩০ বছর বয়সী হামজা কোথায় এবং কীভাবে হামজা মারা গেছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি তারা।

বিবিসি জানায়, বুধবার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন লাদেনপুত্রের নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন।

তবে এ ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করে সাংবাদিকদের তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লাদেনপুত্র সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য ১০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

বাবার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে গত কয়েক বছরে হামজা একাধিকবার অডিও ও ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের ওপরে হামলার আহ্বান জানান তার অনুসারীদের প্রতি।

২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে এক অভিযানে বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন কমান্ডো বাহিনী।

২০০১ সালে সেপ্টেম্বরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভয়াবহ বিমান হামলায় প্রায় তিন হাজার লোক নিহত হয়। হামলা জন্য ওসামা বিন লাদেন ও আল কায়েদাকেই দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র।

আফগানিস্তানে ক্ষমতা বিস্তার করা আল কায়েদাকে উৎখাত করতে সেই বছরেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান শুরু করে।

আফগানিস্তান যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর নতুন শতক শুরু হয়। সেই যুদ্ধের রেশ গত ১৮ বছর ধরে এখনো বয়ে চলেছে আফগানরা।

দুই বছর আগে ৩০ বছর বয়সী হামজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। তিনি বিয়ে করেন যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ান ইলেভেন হামলার চার বিমানের একটির ছিনতাইকারী মোহাম্মদ আত্তার মেয়েকে।

মার্চে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, হামজা আফগানিস্তান বা পাকিস্তানে লুকিয়ে আছে । সেখান থেকে তিনি ইরানে প্রবেশ করার অপেক্ষায় আছেন। তবে তিনি দক্ষিণ মধ্য এশিয়ার যে কোনো জায়গাতেও থাকতে পারেন।

বেশ কয়েক বছর হামজা তার মায়ের সঙ্গে ইরানে ছিলেন। কিন্তু বিয়ে করার পর সেখানে তিনি অসুবিধায় পড়েন। ফলে তিনি পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা সিরিয়ার যে কোনো জায়গায় থাকতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button
Close
Close